• ৬ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ২৩শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ১৯শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

কালিঘাটে ভারতীয় অবৈধ পণ্য বিক্রয়ের মূলহোতা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাহী,সহযোগী মাছুম ও সাদ্দাম!

sylhetnewspaper.com
প্রকাশিত জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
কালিঘাটে ভারতীয় অবৈধ পণ্য বিক্রয়ের মূলহোতা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাহী,সহযোগী মাছুম ও সাদ্দাম!

বিশেষ প্রতিবেদক::সিলেটেটের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে অবৈধ ভারতীয় বিভিন্ন পণ্য এবং সীমান্ত রক্ষী বাহিনী কিংবা আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা সামান্য কিছু আটক করতে পারলেও ধরাছোয়ার বাইরে বেশীরভাগ চোরাচালানী পণ্য ও চোরাচালানের গডফাদাররা।

আর এই সকল অবৈধ পণ্য সিলেটের পাইকারী বাজার কালিঘাটে প্রবেশ করিয়ে বিক্রয় করার মূলহোতা হচ্ছেন ছড়ারপাড় সুগন্ধা-১৩নং বাসার রুমেল আহমদের পুত্র ১৪ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান রাহী, তার সহযোগি মাছুম আহমদ ও সাদ্দাম আহমদ। এই বিষয়ে অনুসন্ধানে জানা গেছে চোরাচালানের গডফাদার রাহী, মাছুম ও সাদ্দাম সবকিছু ম্যানেজ করে অবৈধভাবে আসা পণ্য বিক্রয় করে আসছে। রাহী ও তার সহযোগিদের গোপন আস্তানা সোবহানীঘাট সবজির বাজারে। সেখানে রাত দুইটা থেকে সকাল সাতটা পর্যন্ত তার অবৈধ টাকার ভাগভাগি করেন।

রাহী ৫ই আগস্টের পূর্বে প্রকাশ্যে ছাত্র-জনতার উপর হামলা চালায়। তার বিরুদ্ধে সিলেটের বিভিন্ন থানায় রয়েছে একাধিক মামলা। এসএমপির কোতোয়ালী থানায় ছাত্র-জনতার উপর হামলার অভিযোগে দায়ের কৃত ৪টি মামলার আসামী।

একাধিক মামলায় রয়েছে ওয়ারেন্ট। নগরীর পাইকারী বাজার কালীঘাটে রীতি মতো অপেন ভুঙ্গা পণ্য এক সিন্ডিকেট কে ব্যবহার করে তারা বিভিন্ন ধরনের অবৈধ ভারতীয় চোরাচালান মালামাল ব্যবসা করছেন। প্রতিদিনই খবরের পাতায় উঠে আসছে সিলেট সীমান্তে চোরাচালানের খবর।

এ নিয়ে সরকারের উর্দ্ধতন মহল থেকে আইনশৃংখলা রক্ষায় নিয়োজিত সদস্যরাও নানান প্রশ্নের সম্মুখীন হচ্ছেন।
ভারতীয় পণ্য অবাধে প্রবেশ করায় একদিকে যেমন সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব অন্যদিকে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা পড়ছেন বিপাকে। তারা সরকারকে রাজস্ব দিয়ে বিধি মোতাবেক পণ্য আমদানী করতে গিয়ে গুনছেন লাখ লাখ লোকসান।

অন্যদিকে অসাধু কিছু সদস্যের সহায়তা চোরাকারবারীরা আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে গেছেন। সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ, গোয়াইনঘাট, জৈন্তাপুর, কানাইঘাট ও বিয়ানীবাজারের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে আসছে ভারতীয় পণ্য। প্রতিদিনই কোন না কোন সংস্থা আটক করলেও বেশীরভাগ রয়ে যায় ধরাছোয়ার বাইরে।
সম্প্রতি বাংলাদেশ ভারতের সাথে নানান ইস্যুতে দুদেশের সম্পর্কের অবনতি ঘটলেও থেমে নেই চোরাকারবারীরা।

ইতিমধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে সীমান্ত জুড়ে কড়া শর্তকতা থাকার নির্দেশনা দিলেও মানছে না চোরাকারবারীরা। বাংলাদেশ বর্ডারগার্ডের কিছু অসৎ সদস্যের কারনেই দেশে অবাধে প্রবেশ করতে ভারতী পণ্য। দেশ থেকে পাচার হচ্ছে বিদেশ থেকে আমদানী করা রসুন ও সিরামিক পন্য।খবর দৈনিক সিলেটের সংবাদ!

এ ছাড়াও সুনামগঞ্জ জেলার সদর, বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর, মধ্যনগর, দোয়ারাবাজার ও ছাতক সীমান্ত দিয়েও রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে রাতের আধারে প্রবেশ করছে ভারতীয় পণ্য পেঁয়াজ, চিনি, মাদক, অস্ত্র, মোটরসাইকেল সামগ্রীসহ অনেক পণ্য।

সিলেট পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমান জানান, চোরাচালান প্রতিরোধে বাংলাদেশ পুলিশের সদস্যরা কঠোর অবস্থানে থাকায় প্রতিদিনই চোরাচালানী পণ্য জব্দ করা হচ্ছে এবং চোরাচালানের সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হচ্ছে। চোরচালানের সাথে কোন পুলিশ সদস্যের জড়িত থাকার তথ্য প্রমানাদি পেলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন