বিশেষ প্রতিবেদক:
সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলায় ফের রমরমা হয়ে উঠেছে অবৈধ চোরাচালান কার্যক্রম। সীমান্তবর্তী বিভিন্ন পয়েন্ট ও সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক ব্যবহার করে অবাধে দেশে ঢুকছে ভারতীয় গরু, মহিষ, মাদক, কীটনাশকসহ নানা নিষিদ্ধ পণ্য—এমন অভিযোগ উঠেছে স্থানীয়দের কাছ থেকে।
সরকারের পক্ষ থেকে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সব ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা থাকলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন নেই বলে দাবি সচেতন মহলের। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিদিন রাত নামলেই জৈন্তাপুর মডেল থানার সামন দিয়েই অবাধে প্রবেশ করছে চোরাই মালামাল।
স্থানীয়দের প্রশ্ন—এত বড় আকারে চোরাচালান কার্যক্রম চললেও তা প্রশাসনের নজর এড়ায় কীভাবে?
একাধিক সূত্রের দাবি, একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট এই চোরাচালান নিয়ন্ত্রণ করছে। গুরুতর অভিযোগ উঠেছে, জৈন্তাপুর মডেল থানার এক কর্মকর্তা এসআই ওবায়দুল ইসলামের নেতৃত্বেই এই চক্র সক্রিয়। তার সহযোগী হিসেবে আরও কয়েকজন ‘লাইনম্যান’ হিসেবে কাজ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।স্থানীয়দের ভাষ্য, জৈন্তাপুর গরুর বাজার থেকে অবৈধ প্রতিটি ভারতীয় গরু থেকে প্রায় ১ হাজার টাকা এবং মহিষ থেকে ১,৫০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে। অনেক সময় মহাসড়কের ওপরই প্রকাশ্যে দর-কষাকষির ঘটনাও দেখা যায়, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।
অবৈধ চোরাচালান নিয়ে লেখালেখি ও নিউজ প্রকাশ করায় স্থানীয় সাংবাদিকে হাত পা কেটে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি জৈন্তাপুর বাজার ইজারাদার
এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। সচেতন মহলের মতে, এই অবৈধ চোরাচালান বন্ধ না হলে সীমান্ত নিরাপত্তা ও স্থানীয় অর্থনীতি ভয়াবহ হুমকির মুখে পড়বে।
সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন