জাফলং বল্লাঘাট পাথর উত্তোলন ও সরবরাহকারী শ্রমিক বহুমুখী সমবায় সমিতির সভাপতি শ্রমিক নেতা মোঃ শহিদ মিয়াকে নিয়ে সম্প্রতি কিছু স্বার্থান্বেষী মহল অপপ্রচারে লিপ্ত।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তার সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করছে তারা।
হীন উদ্দেশ্য চরিতার্থে তাদের এমন অপৎপরতার প্রতিবাদে সোচ্চার শ্রমিক সমাজ।
জাফলং বল্লাঘাট পাথর উত্তোলন ও সরবরাহকারী শ্রমিক বহুমুখী সমবায় সমিতির (রেজি: নং ৫৯-১) সভাপতি মো. শহিদ মিয়া। দীর্ঘ ২০ বছর ধরে শ্রমিকদের অধিকার আদায় ও কল্যাণে নিবেদিত একজন শ্রমিক নেতা। তার সততা, নিষ্ঠা ও শ্রমিকবান্ধব ভূমিকার জন্য তিনি সর্বমহলে গ্রহণযোগ্য।
তিনি এই সমিতির তিনবারের নির্বাচিত সভাপতি।তাছাড়া আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর সমিতির নির্বাচন। এবারও শহিদ মিয়া সণাপতি পদপ্রার্থী। তাকে নির্বাচনে পরাজিত ও সমাজে হেয়প্রতিপন্ন করতে একটি মহল জঘন্য সব মিথ্যা প্রচার করছে।
২০ বছর ধরে শ্রিমকদের সুখেদুখে একজন সুযোগ্য নেতা ও অভিভাবক হিসাবে শহিদ মিয়া সবার পাশে আছেন সবসময়। তার নেতৃত্বে শ্রমিরা তাদের ন্যায্য অধিকার আদায় করতে সক্ষম হয়েছেন।
তার পরিচ্ছন্ন ইমেজ কালিমালিপ্ত করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত একটি কুখ্যাত অশুভচক্র। শ্রমিকদের কাছে তার প্রশ্নাতীত গ্রহনযোগ্যতায় ঈর্ষান্বিত হয়ে তারা আজ চোরাকারবারীদের তালিকায় তার নাম ঢুকিয়ে দিয়েছে।
হাজার হাজার টাকা খরচ করে তারা অপপ্রচার চালিয়ে গেলেও শ্রমিক সমাজের ঐক্যে চিড় ধরাতে পারেনি।
তারা বলছেন, শত চেষ্টা আর ষড়যন্ত্র করলেও শহিদ মিয়ার জনপ্রিয়তা ও গ্রহনযোগ্যতা নিয়ে শ্রমিক সমাজে কোনো প্রশ্ন নেই এবং তা উঠবেওনা।
গত ১৭ বছর নানাভাবে তিনি নির্যাতিত হয়েছেন। শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করার খেসারত হিসাবে ৬/৭ টি মামলার আসামী হয়ে দৌড়েছেন আদালতের দ্বারে দ্বারে, দৌড়াচ্ছেন এখনো।
তারা এ ধরনের অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এবং এর সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
তারা শহিদ মিয়ার প্রতি পূর্ণ সমর্থন ও আস্থা প্রকাশ করেন। সেই সাথে শহিদ মিয়াকে জড়িয়ে অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হতে প্রশাসন এবং সর্বস্তরের জনগনের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।
শহিদ মিয়াও তার নাম বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জড়িয়ে ফায়দা হাসিলের নোংরা ষড়যন্ত্রের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।বিজ্ঞপ্তি
সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন