• ৬ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ২৩শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ১৯শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

সিলেটে কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় নিহত ফাহিমের দাফন সম্পন্ন, চলছে মামলার প্রস্তুতি!

sylhetnewspaper.com
প্রকাশিত নভেম্বর ১৩, ২০২৫
সিলেটে কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় নিহত ফাহিমের দাফন সম্পন্ন, চলছে মামলার প্রস্তুতি!

সিলেটের বালুচরে এক বিরোধকে কেন্দ্র করে কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় নিহত ফাহিমকে দাফন করা হয়েছে।  এ ঘটনায় মামলার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।

বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) রাত ১০টার দিকে সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, তারা মামলা করতে থানায় যাওয়ার কথা। কিন্তু এখনো যায়নি।

এদিকে ফাহিমের লাশ বৃহস্পতিবার সকালে তার গ্রামের বাড়ি সুনামগঞ্জের ছাতক থানার কান্দিগাঁও  গ্রামে জানাজা শেষে পারিবারিক গোরস্তানে দাফন করা হযেছে বলে তার পারিবারিক সূত্র জানায়।

এর আগে শাহপরান থানাধীন বালুচর এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের কয়েকজন দুর্বৃত্ত হামলা চালিয়ে মো.ফাহিমকে (২৩) মারাত্মক আহত অবস্থায় রাস্তার পাশে ফেলে রাখে।

তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে মঙ্গলবার রাতে তাকে ঢাকা থেকে সিলেট নিয়ে আসার পথে অব্সথার আরও অবনতি হয়। আবারও তাকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেওে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এর আগে অবশ্য তার উপর হামলাকারীদের নাম প্রকাশ করে ফাহিম।

সে জানায় বালুচর এলাকার কুখ্যাত ছিনতাইকারী ও সন্ত্রাসী মাইল্লা, পেটকাটা ফাহিম, আলম, সবুজ, নুরুজ্জামান, তুহিন, দুবাই মুন্না, রনি, কুদ্দুস,ও জুয়েল তার উপর হামলা করেছে।

বুধবার তার লাশ নিয়ে যাওয়া হয় তাদের ছাতকের বাড়িতে। সে কান্দিগাঁও গ্রামের মো. হারুন রশীদের ছেলে। তারা বালুচর এলাকার ছড়ারপার আল-আমিনের বাসায় ভাড়াটিয়া হিসাবে বাস করছেন দীর্ঘদিন থেকে।

এদিকে এ ঘটনায় বালুচরে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। পূলিশ অভিযান চালিয়ে গেলেও এখনো কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

সর্বশেষ, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে শাহপরাণ থানার ওসি (ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) মো. মনির হোসেন জানান, ফাহিমের পরিবারের একজন সদস্য থানায় এসেছেন। মামলাদায়েরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন