• ১১ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ , ২৭শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ , ১৩ই মহর্‌রম, ১৪৪৪ হিজরি

দীর্ঘদিন ধরে কর্মস্থলে নেই তাহিরপুরের মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা

sylhetnewspaper.com
প্রকাশিত জুলাই ২৯, ২০২১
দীর্ঘদিন ধরে কর্মস্থলে নেই তাহিরপুরের মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা

বৈশ্বিক করোনাভাইরাস সংক্রমণের মধ্যে হাওরবেষ্টিত সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় সকল কর্মকর্তা নিজ নিজ কর্মস্থলে থাকলেও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মিজানুর রহমান নেই। তিনি গত এক মাসের বেশী সময় ধরেই নিজ কর্মস্থলে না থেকে নিজের বাড়ি ময়মনসিংহের অবস্থান করছেন।এছাড়াও বিনা ছুটিতেই মাসের পর মাস নানান অজুহাত দেখিয়ে কর্মস্থল ত্যাগ করে বাড়িতে থাকেন না বলে জানা যায়। ফলে শিক্ষা সংশ্লিষ্ট কাজ করতে গিয়ে তাকে না পাওয়ায় শিক্ষকরা চরম দুর্ভোগে পড়েন বলে অভিযোগ করেন।

অন্যদিকে, দায়িত্ব আর সরকারি নির্দেশনায় কর্মস্থলেই থাকছেন ইউএনও, ইউএইচএফপিও, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি), প্রশাসনের অন্যান্য সকল কর্মকর্তারা। তারা এবার ঈদুল আযহাও পালন করেন নিজ কর্মস্থল তাহিরপুরেই।

অথচ ঈদের ছুটি শেষ হওয়ার পরও মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মিজানুর রহমানকে দেখা যায়নি তার কর্মস্থলে। এনিয়ে উপজেলার অন্যান্য কর্মকর্তাদের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কর্মকর্তা জানান, আমরা বৈশ্বিক করোনাভাইরাস সংক্রমণের মধ্যে নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করছি, কাজ করছি মানুষের জন্য।

কিন্তু মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে আজও পাইনি কোন কাজে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক জানান, দীর্ঘদিন ধরেই তিনি কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। যার ফলে ঈদের আগে মাসিক রিপোর্টে অন্যান্য সকলের স্বাক্ষর থাকলেও স্যারের স্বাক্ষর না থাকায় বেতন ভাতা, বোনাস উত্তোলনে সোনালী ব্যাংকে কাগজ জমা রাখেনি। এছাড়াও নানান সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে আমাদেরকে। মাসে ২০দিনই তারা অফিস বন্ধ থাকে। আমাদেরকে বলা হয় তিনি বাড়িতেই আছেন। কিছু বলতে গেলেই বিপদ।

এই বিষয়ে মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মিজানুর রহমান এর সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা সম্ভব না হওয়ায় বক্তব্য পাওয়া যায় নি।তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রায়হান কবির জানান, বর্তমান কঠিন সময়ে আমরা সরকারি দায়িত্ব পালনে সর্বোচ্চ আন্তরিক আর দায়িত্বশীল থেকে কাজ করছি। সুত্র সিলেটটুডে২৪, এই বিষয়ে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেব।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •