• ২রা ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ১৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ , ২৭শে রবিউস সানি, ১৪৪৩ হিজরি

ইউপি চেয়ারম্যান ব্যক্তিগত অর্থে সড়ক সংস্কার করলেন

sylhetnewspaper.com
প্রকাশিত জুলাই ২১, ২০২১
ইউপি চেয়ারম্যান ব্যক্তিগত অর্থে সড়ক সংস্কার করলেন

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর- কেশবপুর- রসুলগঞ্জবাজার সড়কে দীর্ঘদিন ধরেই তৈরি হয়েছিলো খানাখন্দের। এতে দুর্ভোগে পড়েছিলেন স্থানীয়রা।স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতাধীন এই সড়কের গর্ত ভরাটে অবশেষে এগিয়ে এসেছেন পাটলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজুল হক। তিনি ঈদকে সামনে রেখে সড়কের ভাঙাচোরা ও গর্ত ভরাট কাজ করেন। গত দুই দিন ধরে গর্ত ভরাট কাজ চলছিল। মঙ্গলবার দুপুরে কাজ শেষ হয়।

জানা যায়, সড়কটি জগন্নাথপুর পৌরসভা, মীরপুর ও কলকলিয়া ইউনিয়নের একাংশ, পাটলী ইউনিয়নবাসীর যাতায়াতের একমাত্র সড়ক। এ সড়কদিয়ে সুনামগঞ্জের ছাতক ও সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার একাংশের মানুষের যাতায়াত সুবিধা রয়েছে। ফলে গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কে প্রতিদিন অসংখ্য ছোটবড় যানবাহন চলাচল করে।

পাটলী ইউনিয়নের সাতহাল গ্রামের বাসিন্দা নজরুল ইসলাম বলেন, ১০ কিলোমিটার সড়কের এক কিলোমিটার অংশে ছোট বড় অসংখ্য গর্তে যান চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। প্রতিদিন অটোরিকশাসহ ছোটখাটো যানবাহন উল্টে দুর্ঘটনা ঘটে। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গর্ত ভরাট করে দেওয়ায় আমরা খুশি।

পাটলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজুল হক জানান, সড়কের জগন্নাথপুর পৌরসভার কেশবপুর অংশ থেকে পাটলী ইউনিয়নের রসুলগঞ্জ বাজার এলাকা পর্যন্ত ছোটবড় অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়ে যান চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। প্রতিদিন দুর্ঘটনার খবর পাওয়া যেত। বিষয়টি আমি স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরকে বার বার জানালেও অর্থ বরাদ্দ না থাকায় তারা সংস্কার কাজ করছেন না। তাই ঈদকে সামনে রেখে নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে আমি ব্যক্তিগত অর্থায়নে সড়কে ইট ও বালি ফেলে সড়কের ভাঙ্গা ছোড়া অংশের গর্তগুলো ভরাট করি।

এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী গোলাম সারোয়ার বলেন, সড়কের সংস্কার কাজের জন্য বরাদ্দ পাওয়া গেলে আমরা সড়কে সংস্কার কাজ করাবো। এই মুহূর্তে আমাদের কাছে সংস্কার কাজের কোন বরাদ্দ নেই।

জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পদ্মাসন সিংহ বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নিজ উদ্যাগে গর্ত ভরাটের কাজ করছেন তা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •