• ১৫ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ , ১লা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ , ৯ই জিলহজ, ১৪৪৫ হিজরি

উপজেলা নির্বাচন গোলাপগঞ্জে ‘রাম দা হাতে’ প্রতিপক্ষকে যুবলীগ নেতার ধাওয়া

sylhetnewspaper.com
প্রকাশিত মে ৮, ২০২৪
উপজেলা নির্বাচন গোলাপগঞ্জে ‘রাম দা হাতে’ প্রতিপক্ষকে যুবলীগ নেতার ধাওয়া

৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন সিলেটে বিচ্ছিন্ন ঘটনার মধ্য দিয়ে শেষ হলেও সশস্ত্র মহড়া দিয়ে সমালোচনার দাগ লাগিয়েছেন যুবলীগ নেতা। স্বদলবলে রাম দা হাতে প্রতিপক্ষকে ধাওয়া করেছেন মনিরুল হক পিনু নামের যুবলীগ নেতা। তিনি জেলা যুবলীগের উপ দপ্তর সম্পাদক বলে জানা গেছে।

বুধবার (০৮ মে) বেলা আড়াইটার দিকে প্রার্থীর পক্ষে কেন্দ্রে আধিপত্য বিস্তার করতে গিয়ে রাম দা নিয়ে

কেন্দ্রের সামনে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীর সমর্থকদের ধাওয়া করেন। নির্বাচন চলাকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তা স্বত্বেও প্রকাশ্যে যুবলীগ নেতার নেতৃত্বে রাম দা হাতে মহড়ায় সমালোচনার ঝড় ওঠেছে সিলেটে।

স্থানীয়রা জানান, বেলা আড়াইটার দিকে কাইস্তগ্রাম সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র পরিদর্শনে যান ঘোড়া প্রতীকে উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শাহিদুর রহমান চৌধুরী জাবেদ। সে সময় আনারস প্রতীকে চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু সুফিয়ান উজ্জ্বলের কর্মী সমর্থকরা একসাথে কেন্দ্রে ঢুকেন। কেন্দ্রের বাইরে স্থানীয় ইউপি সদস্যের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে উত্তেজনা দেখা দেয়। এক পর্যায়ে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

এই ঘটনার জের ধরে আনারস প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু সুফিয়ান উজ্জলের পক্ষে জেলা যুবলীগের উপ দপ্তর সম্পাদক মনিরুল হক পিনু নেতৃত্বে কর্মীরা প্রকাশ্যে কেন্দ্রের সামনে এসে প্রতিপক্ষকে ধাওয়া করে। ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় আতঙ্কে ভোটারশূণ্য হয়ে পড়ে কেন্দ্রটি। উপস্থিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাদের নিভৃত করতে পারেনি। খবর পেয়ে স্ট্রাইকিং ফোর্স ও মোবাইল টিম ঘটনাস্থলে পৌছালে অস্ত্রধারীরা পালিয়ে যায়।

তবে এ ঘটনায় ভোটগ্রহণে কোনো প্রভাব পড়েনি দাবি করে কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার আব্দুস শহীদ বলেন, ঘটনার পরও কার্য্যক্রম স্বাভাবিকভাবেই চলেছে। অবশ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছিল।

গোলাপগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভিজিৎ চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, বাইরে বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে। তবে ভোটে কোন প্রভাব পড়েনি।

বুধবার (৮ মে) সিলেট জেলার চারটিসহ বিভাগের ১১টি উপজেলায় ভোট গ্রহণ সকাল ৮টা থেকে শুরুটা ছিল শান্তিপূর্ণ। কিন্হতু বিকেল ৪টায় শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত সেই শান্তি বজায় থাকেনি। সবদিকে কেবল চরম উত্তেজনার খবর ছড়িয়ে পড়ছিল।

এ অবস্থায় বিকাল ৪টায় ভোট গ্রহণ শেষে চলছে গণনা কার্যক্রম। বিভাগে নির্বাচন অনুষ্ঠিত ১১টি উপজেলা হলো- সিলেট জেলার সদর, দক্ষিণ সুরমা, বিশ্বনাথ ও গোলাপগঞ্জ, সুনামগঞ্জের দিরাই ও শাল্লা, মৌলভীবাজারের জুড়ি, কুলাউড়া ও বড়লেখা এবং হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ ও বানিয়াচং।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন