• ২০শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ , ৬ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ , ১৪ই জিলহজ, ১৪৪৫ হিজরি

পশ্চিম জাফলং সীমান্তে চোরাচালান,এসআই জাহাঙ্গীরের ৫ লাইনম্যান

sylhetnewspaper.com
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৪
পশ্চিম জাফলং সীমান্তে চোরাচালান,এসআই জাহাঙ্গীরের ৫ লাইনম্যান

সিলেট পোস্ট রিপোর্ট::সিলেট সীমান্তে টুকটাক চোরাচালান সব সময় লেগেই থাকে। তবে জেলার গোয়াইনঘাট সীমান্তের চোরাচালানীরা এবার সম্পূর্ণ বেপরোয়া হয়ে ওঠেছে।

রাত নামলেই উপজেলার পশ্চিম জাফলং সীমান্ত দিয়ে খরস্রোত নদীর কচুরিপনার মত ভেসে আসতে শুরু করে ভারতীয় চেরাই গরু ও চিনি।

রমজান ও কুরবাণীর ঈদকে সামনে রেখে এই দুই পণ্যের চোরাচালান অন্য সময়ের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়ে জমজমাট আকার ধারণ করেছে। পাশপাশি বৃদ্ধি পেয়েছে থানার লাইনম্যানদের নির্ঘুম অপ-তৎপরতা্।

স্থানীরা জানান, পার্শবর্তী ভারতের মেঘালয়া রাজ্যের খাসিয়া জৈন্তিয়া পাহাড় হয়ে সন্ধ্যা থেকে শুরু করে পূরো রাত অবিরাম আসতে থাকে গরু ও চিনির চালান। লাইনম্যারা সারা দিন ঘুম পাড়িয়ে সন্ধ্যার আগেই ইলেকিট্রক টর্চলাইট হাতে নেমে পড়ে মাঠে। রাতভর চোরা কারাবারিদের লাখ লাখ টাকার ঘুষের লেনদেন হয় পুলিশের ওই লাইনম্যানদের সাথে।

স্থানীয়ভাবে অভিযোগ রয়েছে, গোয়য়াইনঘাট থানাধীন পশ্চিম জাফলং ইউনিয়ন সীমান্তই হচ্ছে চোরাচালানীদের প্রধান করিডোর। এ ইউনিয়নের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে থাকেন গোয়াইনঘাট থানার এসআই জাহাঙ্গীর আলম ও তার সহকারী এএসআই রয়েল। এ দুই পুলিশ কর্মকর্তার মনোনীত ৫ লাইনম্যান রাতভর বরখরা আদায় করে থাকে। পরে তারা থানার এএসআই রয়েলের মাধ্যমে বিট অফিসার এসআই জাহাঙ্গীর আলমের হাতে তুলে দেয়।

লাইনম্যানরা প্রতিটি ভারতীয় গরু থেকে ২ হাজার টাকা এবং প্রতিবস্তা চিনি থেকে ১ হাজার টাকা করে চোরা কারকারিদের কাছ থেকে আদায় করে থাকে। এ ভাবেই প্রতিরাতে লাইনম্যানরা লাখ লাখ টাকার বখরা আদায় করে পুলিশকে দিয়ে তাদের কমিশন নিয়ে থাকে।

অভিযোগে প্রকাশ, গোয়াইনঘাট থানাধীন পশ্চিম জাফলং সীমান্তে থানার এসআই জাহাঙ্গীরের নিযুক্তীয় লাইনম্যানরা হচ্ছে-থানার পশ্চিম জাফলং ইউনিয়নের হাতিরখাল গ্রামের শ্যামকালা, পশ্চিম জাফলং ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা লিলু মিয়া, ইউনিয়নের লক্ষণছড়া গ্রামের আল-আমিন, কাপ্তানপুর গ্রামের শরীফ উদ্দিন ও ইব্রাহীম পারভেজ।

এ বিষয়ে জানতে সিলেটের গোয়াইনঘাট থানার এসআই জাহাঙ্গীরের সাথে মুঠেফোনে কথা হলে তিনি লাইনম্যান নিযুক্তি ও বখরাবাজির অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করে বলেন সীমান্ত চোরাচালান বন্ধে পুলিশি টহল জোরদার রয়েছে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন