• ১৫ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ , ১লা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ , ৯ই জিলহজ, ১৪৪৫ হিজরি

সিলেটে সফাত উল্লাহ সিএনজি ফিলিং স্টেশনে অগ্নিদগ্ধ ২ কর্মচারীর মৃত্যু

sylhetnewspaper.com
প্রকাশিত জুলাই ২৪, ২০২২
সিলেটে সফাত উল্লাহ সিএনজি ফিলিং স্টেশনে অগ্নিদগ্ধ ২ কর্মচারীর মৃত্যু

সিলেট জালালাবাদ থানাধীন কুমারগাঁওস্থ তেমুখী পয়েন্ট সংলগ্ন সফাত উল্লাহ সিএনজি ফিলিং স্টেশনে অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ দুই কর্মচারী মারা গেছেন বলে জানা গেছে।

ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত বৃহস্পতিবার ও শুক্রবারে দুজনের মৃত্যু হয়েছে।

১৫ জুলাই রাত ১০টার দিকে সিলেটের কুমারগাঁওয়ে সফাত উল্লাহ সিএনজি ফিলিং স্টেশনে সংরক্ষিত গ্যাস সিলিন্ডার কক্ষে দুর্ঘটনায় এ দুজনসহ ৪ জন অগ্নিদগ্ধ হয়েছেন বলে জানা গেছে।গ্যাস সিলিন্ডার লিকেজের কারণে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হচ্ছেন-সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর উপজেলার নুরুল হক ও সিলেট কুমারগাঁও এলাকার সালেহ আহমদ।

নিহতরা সফাত উল্লাহ সিএনজি ফিলিং স্টেশনের কর্মচারী ছিলেন।

মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে মহানগর পুলিশের জালালবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হুদা খান বলেন,আমরা ঢাকার পুলিশ মাধ্যমে মৃত্যুর খবর পেয়েছি।

বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার- এই দুই দিনে দুজন মারা গেছেন।

তবে এ দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে আমাদের কাছে কোনো অভিযোগ আসেনি।

এর আগে গত ১৬ জুলাই এসএমপির অতিরিক্ত উপ-কমিশনার বিএম আশরাফ উল্যাহ তাহের জানান,১৫ জুলাই রাত ১০টার দিকে সময় জালালাবাদ থানাধীন কুমারগাঁওস্থ তেমুখী পয়েন্ট সংলগ্ন সফাত উল্লাহ সিএনজি ফিলিং স্টেশনে সংরক্ষিত গ্যাস সিলিন্ডারে ত্রুটির কারণে প্রচণ্ড শব্দ হয়ে আগুন ধরে যায়।

খবর পেয়ে জালালাবাদ থানার ওসির নেতৃত্বে একদল পুলিশ ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে।

এ ঘটনায় সফাত উল্লাহ সিএনজি ফিলিং স্টেশনের ৪ জন কর্মচারী অগ্নিদগ্ধ হন।

পরে তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যাওয়া।

এর মধ্যে নুরুল হক ও সালেহ আহমদ মারা যান।

সফাত উল্লাহ সিএনজি ফিলিং স্টেশনের স্বত্বাধিকারী হেলাল আহমদ জানান,এটি একটি অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা।

এই সময়ে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ফিলিং স্টেশন (সন্ধ্যাকালীন) বন্ধ ছিলো।

ওই সময়ে একজন কর্মচারী সংরক্ষিত সিলিন্ডার রুমে ঢুকে মোবাইল ফোন চার্জে লাগায়।

তখন বৈদ্যুতিক সুইচ বোর্ডে স্পার্ক করে এবং পাশেই একটি সিলিন্ডার লিকেজ থাকায় সেটিতে আগুন ধরে যায়।দুজন কর্মচারীর মৃত্যুর বিষয়টি হেলাল আহমদও নিশ্চিত করেছেন।তিনি বলেন, অগ্নিদগ্ধ চারজনকে দ্রুত ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং চিকিৎসার পুরো ব্যয়ভার আমি বহন করেছি। এছাড়াও নিহত দুজনের পরিবারকে আর্থিক সহযোগিতাও প্রদান করেছি।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন