• ১৯শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ , ৫ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ , ১৩ই জিলহজ, ১৪৪৫ হিজরি

মির্জাজাঙ্গাল এলাকায় নির্মাণ শ্রমিকদের হামলায় মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে কিশোর

sylhetnewspaper.com
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২১
মির্জাজাঙ্গাল এলাকায় নির্মাণ শ্রমিকদের হামলায় মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে কিশোর

স্টাফ রিপোর্টারঃঃ নগরীর মির্জাজাঙ্গাল এলাকায় নির্মানাধীন একটি ৫ তলা ভবনে আক্রমনের শিকার হয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে ১৫ বছরের এক কিশোর,,।

জানা যায় মির্জাজাঙ্গালস্থ আয়েশা ক্লিনিক সংলগ্ন একটি ভবনে ঘটনাটি ঘটে ।,,আহত কিশোরের নাম এমরান হোসেন (১৫) ।,

গুরুতর আহত অবস্থায় ওই কিশোর সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হলেও ”ওসমানী হাসপাতালের চিকিৎসকরা তাকে দ্রুত ঢাকায় প্রেরণ করার জন্য বলেন তারপর তাকে দ্রুত তাকে ঢাকায় প্রেরণ করা হয় ।,,

এই ঘটনায় উদ্বিগ্ন কিশোরের পরিবারসহ আত্নীয় স্বজনরা।

কিশোরের পিতা রিক্সাচালক সুরুজ আলী ছেলেকে বাঁচাতে শেষ সম্বল গ্রামের বাড়ির জায়গা জমি বিক্রি করে চিকিৎসা করানোর পরও এখনও স্বাভাবিক হয়নি কিশোর ছেলে ।,,

,,১৪ ই আগস্ট তবে ঘটনার পরেরদিন নির্মানাধীন ভবনের মালিক প্রবাসী বদর আহমদ চৌধুরীর ৫ তলা ভবনের ছাদে আহত এমরানের ঘনিষ্টরা দেখতে পান রসি,কোমরের বেল্ট,রক্ত,ও একটি চুকানো একটি রডের টুকরো তারা মনে করছেন,,,৫ তলা ভবনের ছাদের ওপরে তুলে এই ছেলেটিকে অনেক টর্চার করা হয়েছে।,,

ছেলেটির মাথায় প্রচন্ড আঘাত করা হয়েছে মাথার বিতর গর্তে হয়ে আছে,,।

মির্জাজাঙ্গাল এলাকার ওই ৫ তালা ভবনের তত্বাবধানে রয়েছেন ভবন মালিকের নিকটাত্মীয় আলমগীর হোসেন প্রকাশ লেংড়া আলমগীর ।,,

ঘটনাটি ঘটে ১৪ আগষ্ট রাতে।,,স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণ মতে, রাতে হঠাৎ করেই বিল্ডিংয়ের ভিতর থেকে কান্নার আওয়াজ আসে।

,,খবর পেয়ে কিশোরের পরিবারের লোকজন ঘটনাস্থলে আসলেও তার আগেই আহত অবস্থায় ওই কিশোরকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।,,

তবে,, কে বা কারা হাসপাতালে পাঠালো সে তথ্য পাওয়া যায়নি।

অগত্যা আহতের পিতা সুরুজ আলী সেখানে ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি নিশ্চিত করলেও দু’দিন পর কর্তব্যরত ডাক্তার রোগীকে ঢাকার একটি হাসপাতালে রেফার করেন।,,

মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়ে সুরুজ আলীর দিশেহারা হয়ে হাসপাতাল ছেড়েই নিজ গ্রামের বাড়ি সিলেটের ওসমানীনগরের সর্বশেষ নিজের অবলম্বন ভিটেমাটি বিক্রি করে দেন তিনি।,,

ঘটনার ৪২ দিন অতিবাহিত হলেও এখনও স্বাভাবিক হয়নি কিশোর এমরান কোনো কথা বলতে পারছেনা কোন কিছু খেতে পারছেনা একাধারে কেদে কেদে দিন কাটছে ও-ই কিশোরের ।,,

অসহায় রিক্সাচালক সুরুজ আলী জানান,‘বিল্ডিং টিকাদার আমিনুল এবং তত্বাবধায়ক আলমগীরের নির্দেশেই নির্মান শ্রমিকরা আমার ছেলেকে মেরেছে।,,

এতোবড় দুর্ঘটনার পরও ঠিকাদার আমিনুল কিংবা কেয়ারটেকার আলমগীরসহ ভবন মালিকদের পক্ষ থেকে আমাদের খোঁজ নেওয়া হয়নি।

তাছাড়া, ঘটনার পর থেকে পূর্বের নির্মাণ শ্রমিকদেরও কাজ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।,,

এই ঘটনার পর লামাবাজার ফাঁড়ির লোকজন ঘটনাস্থলে আসলেও অদৃশ্য কারণে তাদের পক্ষ থেকেও কোনোরকম সহযোগীতা পাওয়া যায়নি।,,

আমি এখন পরিবারের উপার্জনক্ষম ছেলের চিন্তা করবো নাকি মামলা করবো।,,

আমার মাথায় কাজ করছে না।,,ছেলে এখনও স্বাভাবিক নয়।

রিকশা চালক সুরুজ আলী আরো বলেন তার পরিবারের আর্থিক অবস্থা খুব খারাপ।,,

ঢাকার হাসপাতালে রাখার পর নিয়ে আসতে হয়েছে। ছেলে এমরান হোসেনের অবস্থা খুব খারাপ।,,

তার ছেলের ওপর এই বর্বর নির্যাতনের কারণে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে কিশোর ছেলে এমরান ।,,

রিকশা চালক সুরুজ আলি কেদে কেদে বলেন ছেলে-মেয়ে ও স্ত্রীসহ তার পরিবার।,,

সেই পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী সুরুজ আলি ।,,

প্রতিদিন তিন চাকার রিকশা চালিয়ে পরিবারকে সচল রাখতে হয় তার ।,,

এছাড়া রিকশা চালানোর উপার্জনে টেনেটুনে চলছিল সুরুজ আলীর সংসার।,,

হঠাৎ তার ছেলের ওপর অমানুষিক ও অমানবিক হামলায় সবকিছু উল্টাপাল্টা করে দিয়েছে তার।,,

গত কয়েকদিন ধরে রিকশা নিয়ে বের হলেও যাত্রী না থাকায় উপার্জন নেই।,,

এমনকি সকালে রিকশা নিয়ে বের হয়ে নিজের দুপুরের খাবারই রোজগার করতেও হিমসিম খেতে হয় তার ।,,

ঘরে না হয় আমরা না খেয়ে থাকবো কিন্তু সন্তানদেরকে কী খাওয়াবো।,,

কীভাবে ছেলের চিকিৎসা করাবো। চিন্তায় মাথায় কাজ করে না।’চিকিৎসা করাতে না পেরে তার ছেলের আরো বেশি খারাপ অবস্থা হয়ে গেছে।,,রু

গুরুতর আহত এমরানের” মা “বলেন ডাক্তার বলছে আমার ছেলে সুস্থ হলেও ”স্বাভাবিক ভাবে চলাফেরা করতে পারবে না,”আমার ছেলের এক হাত এক পা সহ পুরো শরিলের একটা সাইড অবস হয়ে গেছে।চিকিৎসা করাতে না পেরে আমার ছেলের আরো বেশি খারাপ অবস্থা হয়ে গেছে।,,

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিল্ডিংয়ের টিকাদার আমিনুল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি ঘটনাটি স্বীকার করে বলেন,‘আপনারা মালিক পক্ষের সাথে কথা বলেন।’,

ঠিকাদার আমিনুলের কাছে জানতে চাইলে ১৪ আগস্ট ঘটনার সময় আপনার অধীনে যে মিস্ত্রিরা ভবনে কাজে ছিল বর্তমানে তারা এখন এই ভবনে কাজে নেই কেন তাদের পরিবর্তে অন্য মিস্ত্রিরা কাজ করছে?।

তিনি বলেন আমি এই ভবনের মালিকের নিকতয়াত্বিয় বর্তমান কেয়ারটেকার আলমগীরের সাথে আলাপ করেন।

এমতাবস্থায় কিছুক্ষণ পর প্রতিবেদককে অন্য একজনের মাধ্যমে চায়ের দাওয়াতও দেন,এবং সিলেটের একটি পত্রিকার সম্পাদককে দিয়ে প্রতিবেদককে ফোন করান,,ওই পত্রিকার সম্পাদক তিনি উনার পরিচয় দিয়ে বলেন এ বিষয়টা না কথা বলার জন্য , সময়ে এই সম্পাদকের নাম সহ অনেক কিছু প্রকাশ করা হবে।

এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে চেয়ে ভবনের তত্বাবধায়ক আলমগীর হোসেনের ব্যক্তিগত সেলফোনে ফোন দিলেও তিনি প্রথমে বলেন নামাজের সময় হয়েছে কি বললেন তাড়াতাড়ি বলেন, যদিও এই সময় ফোনের অপরপ্রান্তে টিভিতে গানের সাউন্ড সোনা জাচ্ছে।তারপর ফোনের লাইন কেটে দেন।আবার এশার নামায পরে তাকে কল দেওয়া হলে তিনি কেয়ারটেকার নয় বলে অস্বীকার করেন।,, তিনি নিজেকে কি একটা সংগঠনের প্রেসিডেন্ট দাবি করে হুন কার দেন।,,

পরিশেষে গুরুতর আহত কিশোর এমরান হোসেন এর বাবা রিকশা চালক সুরুজ আলী,,তিনি প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সবার কাছে আকুল আবেদন,,; জানিয়ে বলেন সঠিক তদন্ত- করে আমার ছেলের ওপর হামলাকারীদের আইনের আওতায় আনার জোর দাবী জানাচ্ছি। ;বিস্তারিত আরো আসছে চলমান খবর!!

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন