• [english_date] , [bangla_date] , [hijri_date]

মেট্রোরেলের মালামাল চুরি, র‍্যাবের হাতে আটক ১১

sylhetnewspaper.com
প্রকাশিত September 14, 2021
মেট্রোরেলের মালামাল চুরি, র‍্যাবের হাতে আটক ১১

রাজধানীতে মেট্রোরেলসহ নির্মাণাধীন বিভিন্ন বড় প্রকল্পগুলোতে মালামাল চুরি করতে শক্তিশালী একটি চক্র গড়ে ওঠেছে।

এই চক্রটি বিভিন্ন প্রকল্পে ব্যবহৃত প্রয়োজনীয় লোহা,ইস্পাত,তার,ও মেশিনের যন্ত্রাংশ কৌশলে চুরি করে আসছিল। পাশাপাশি প্রকল্প এলাকায় টার্গেট করা মালামালের তথ্য নেওয়া থেকে শুরু করে ক্রেতা পর্যন্ত চারটি স্তর রয়েছে।সোমবার র‌্যাব-৪ এর একটি দল রাজধানীর শাহআলী এলাকা থেকে এই চক্রের ১১ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে।

এরপর এ তথ্য বেরিয়ে আসে। এ সময় একটি ট্রাক ও প্রাইভেটকারসহ কয়েক লাখ টাকার মালামাল জব্দ করা হয়েছে।ওই ১১ জনের কাছ থেকে মেট্রোরেল প্রকল্প থেকে চুরি করা অন্তত ৪০ টন ওজনের ১৮টি আইবীম উদ্ধারের কথা জানিয়েছেন র‌্যাব কর্মকর্তারা। এছাড়া তাদের কাছ থেকে নগদ চার লাখ ২৩ হাজার টাকা এবং ১৬টি মোবাইল সেট জব্দ করা হয়।গ্রেপ্তার ১১ জন হলেন মোতালেব শিকদার (৫৪)নজরুল ইসলাম (৪৪) হাবিব উল্লাহ ভূঁইয়া (৪৩)ওয়ালীউল্লাহ ওরফে বাবু (৪১)সুমন ঘোষ (৪৩)আব্দুল্লাহ আল মামুন,আব্দুস ছাত্তার(৫৮)মো.আশিক(৩১),আমজাদ হোসেন রাজন (৩৬),মো.মনির(৪০)এবং মো.রিয়াজুল(২০)।

র‌্যাব-৪ এর জ্যেষ্ঠ সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম সজল বলেন,চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে মেট্রোরেল প্রকল্প ছাড়াও সরকারের আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের আইবীমসহ অপ্রয়োজনীয় লোহা, ইস্পাত, তার,মেশিন কৌশলে চুরি করে আসছিল।

তারা নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চোরাই মালামাল খণ্ড খণ্ড করে কেটে তা বিভিন্ন ভাঙারি ও চাহিদাকারী ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করে আসছিল।র‌্যাবের অপর একজন কর্মকর্তা বলেন,চক্রটি চার ধাপে চুরি কার্যক্রম চালায়। প্রথম ধাপের সদস্যরা ‘তথ্য সংগ্রহকারী’সদস্য।

তারা প্রকল্প এলাকায় কৌশলে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে এবং সেই অনুযায়ী চুরির পরিকল্পনা করে থাকে। দ্বিতীয় ধাপে এদের একটি ‘সাহায্যকারী’ টিম রয়েছে।

তারা প্রকল্পের সঙ্গে কোনো না কোনোভাবে সম্পৃক্ত। সরাসরি চোর দলটিকে সহায়তা করা তাদের কাজ।

তৃতীয় ধাপে রয়েছে ‘দালাল গ্রুপ।

চোর দলের এ সদস্যদের কাজ হচ্ছে চুরি করা মালামালের পরিবর্তন-পরিবর্ধন করে সহজে বহনযোগ্য করে থাকা। মূলত এই গ্রুপটিই চোর এবং ক্রেতাদের সঙ্গে সংযোগ করিয়ে দেয়। চতুর্থ ধাপে রয়েছে ‘ক্রেতা চক্র’। এ গ্রুপের সদস্যরা সরাসরি চুরির সঙ্গে জড়িতদের কাছে তাদের চাহিদার কথা জানায় এবং চোরাই মালামাল কিনে থাকে।’র‌্যাব সূত্র জানায়, গ্রেপ্তার ১১ জনের মধ্যে মোতালেব, নজরুল, হাবিব উল্লাহ এবং ওয়ালীউল্লাহ সরাসরি চুরির সঙ্গে জড়িত। এছাড়া সুমন ঘোষ, মামুন, ছাত্তার, আশিক, আমজাদ দালাল চক্রের সদস্য। মনির ও রিয়াজুল চোরাই পণ্য কিনে আসছিলেন।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •