• [english_date] , [bangla_date] , [hijri_date]

কনস্টেবলের দেখা না পেয়ে’ মাধবপুর থানা আঙ্গিনায় নারীর বিষপান

sylhetnewspaper.com
প্রকাশিত September 8, 2021
কনস্টেবলের দেখা না পেয়ে’ মাধবপুর থানা আঙ্গিনায় নারীর বিষপান

হবিগঞ্জের মাধবপুর থানায় ছুটিতে থাকা পুলিশ কনস্টেবল বাবুল মিয়ার সঙ্গে দেখা করতে এসে তাকে না পেয়ে আনোয়ারা বেগম (৩২) নামে এক নারী বিষপান করেছেন।

মঙ্গলবার দুপুরে মাধবপুর থানা আঙ্গিনায় এ ঘটনা ঘটে।

আনোয়ারা বেগম কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলার দক্ষিণ রাজারকুল গ্রামের দিদারুলু ইসলামের স্ত্রী। পুলিশ বিষপানে আক্রান্ত আনোয়ারা বেগমকে উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে।

মাধবপুর থানার ডিউটি অফিসার ওয়াহিদ গাজী জানান, মঙ্গলবার দুপুরে আনোয়ারা বেগম মাধবপুর থানায় কর্মরত কনস্টেবল বাবুল মিয়ার সন্ধানে আসেন। কিন্তু কনস্টেবল বাবুল মিয়া তার দেশের বাড়ি কুমিল্লা থাকায় তার সঙ্গে দেখা হয়নি। এ সময় পুলিশ কোনো অভিযোগ থাকলে থানায় অভিযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেন।

কিন্তু কোনো কিছু না বলে ওই সময় থানা কক্ষ থেকে বের হয়ে তার ব্যাগে থাকা বিষের বোতল বের করে থানা আঙ্গিনায় সামনে বিষপান করে ছটফট করে পড়ে যান।

তিনি জানান,তাৎক্ষণিক পুলিশ তাকে উদ্ধার করে প্রথমে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখান থেকে তাকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আনোয়ারা বেগমকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজে রেফার করেন।

আনোয়ারা বেগমের স্বামী দিদারুল ইসলাম জানান, বাবুল মিয়া কক্সবাজার আদালতে কর্তব্যরত থাকাবস্থায় আনোয়ারা বেগমের সঙ্গে পরিচয় হয়।

এই সূত্রে আনোয়ারা বেগমের কাছ থেকে বিভিন্ন কৌশলে ৫ লাখ টাকা নেন। সম্প্রতি তিনি টাকার বিষয়টি জানতে পেরে তাদের মধ্যে মনোমালিন্যের সৃষ্টি হয়।

পরে ওই টাকা আদায়ের উদ্দেশ্যে সোমবার দুপুরে আনোয়ারা বেগম মাধবপুর থানার উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হন।

কনস্টেবল বাবুল মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, কক্সবাজার কোর্টে চাকুরিকালে একটি মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে আনোয়ারার সঙ্গে তার পরিচয় হয়। এ পরিচয়ের সূত্রধরে তার পরিবারে যাতায়াত ছিল। কিছু টাকা আনোয়ারা আমাকে ধার দিয়েছিলেন।

মাধবপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক মাঈন উদ্দিন বলেন, আনোয়ারা বেগম দুপুরে মাধবপুর থানায় এলে পুলিশ তাকে অভিযোগ দিতে বলে। কিন্তু তিনি অভিযোগ না দিয়ে হঠাৎ করে সবার অগোচরে থানা এলাকায় এমন ঘটনা ঘটিয়েছেন। আমরা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজে পাঠিয়েছি।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •