• ১৫ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ , ২রা বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ , ৬ই শাওয়াল, ১৪৪৫ হিজরি

এবার ফিজা নিয়ে দ্বন্দ্বে মুমিনকে ফাঁসানোর ষড়যন্ত্র

sylhetnewspaper.com
প্রকাশিত আগস্ট ১০, ২০২১
এবার ফিজা নিয়ে দ্বন্দ্বে মুমিনকে ফাঁসানোর ষড়যন্ত্র

বিশেষ প্রতিবেদকঃঃ সিলেটের ফিজা এন্ড কোম্পানী এবং ফিজা এন্ড কো: ইউকে-এর পরিচালক আজহারুল ইসলাম মুমিনকে ফাসাঁতে চলছে গভীর ষরযন্ত্র!

হামলা, মামলা ও গাড়ি ভাঙচুরের পর এবার তার প্রতিষ্ঠান লন্ডনস্থ ফিজা এন্ড কো: ইউকে-এর কাছে পাওনা টাকা দাবি করে নোটিশ পাঠিয়েছেন সিলেটের ফিজা এন্ড কোম্পানীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক নজরুল ইসলাম বাবুল।

তবে এই নোটিশ মুমিনের কাছে পাঠানো হয়নি বরং ষরযন্ত্র করে নোটিশটি পাঠানো হয়েছে মুমিনের বড়ভাই জহিরুল ইসলাম মিঠু’র নামে। বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ করায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হোয়াটস অ্যাপে গালি-গালাজ অব্যাহত রেখেছেন নজরুল ইসলাম বাবুল।

জানা গেছে, কাগজেপত্রে লন্ডনস্থ ফিজা এন্ড কো: ইউকে- ৭৭-৭৯ টার্ন পাইক লেন, উডগ্রীন লন্ডন এর মালিক আজহারুল ইসলাম মুমিন।

শুরু থেকে তিনি লন্ডন সরকারকে তার কোম্পানীর নির্ধারিত ট্যাক্স পরিশোধ করছেন।

গেলো ক’মাস হল তিনি দেশে এসেছেন। সিলেটের ফিজা এন্ড কোম্পানীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক নজরুল ইসলাম বাবুলের কাছে লন্ডনস্হ ফিজা এন্ড কো: ইউকে-এর প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকা পাওনা রয়েছে। মূলত এই টাকা না দিতে নজরুল ইসলাম বাবুল মুমিনের বড়ভাই জহিরুল ইসলাম মিঠু’র কাছে এই নোটিশ পাঠিয়েছেন। এনিয়ে শুরু হয়েছে দ্বন্দ্ব।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আজহারুল ইসলাম মুমিন। মুমিন বলেন, অতীতের মতো আমাকে হয়রানীর পরিকল্পনা করছেন তারই জন্মদাতা পিতা সিলেট চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক, ফিজা এন্ড কোম্পানীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক নজরুল ইসলাম বাবুল।

তিনি আমাকে হেও করার জন্য আমার বড়ভাই আজিন এগ্রো ফুড-এর পরিচালক জহিরুল ইসলাম মিঠু’র কাছে টাকা দাবি করে এই নোটিশ পাঠিয়েছেন। সিলেটের ফিজা এন্ড কোম্পানীরও আমি একজন পরিচালক।

এছাড়া আমি লন্ডনস্থ ফিজা এন্ড কো: ইউকে-এর মালিক। শুরু থেকেই আমি লন্ডন সরকারকে আমার কোম্পানীর নির্ধারিত ট্যাক্স পরিশোধ করে আসছি।

আমি দেশে আশার পর আমার বিরুদ্ধে গভীর ষরযন্ত্র করছেন নজরুল ইসলাম বাবুল। হামলা, মামলা ও গাড়ি ভাঙচুরসহ নানান ঘটনা তিনি ঘটিয়েছেন।

এবার তিনি আমার প্রতিষ্ঠান লন্ডনস্থ ফিজা এন্ড কো: ইউকে-এর কাছে পাওনা টাকা দাবি করেছেন। টাকা তিনি পাননা বরং আমার কোম্পনী তার কাছে প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকা পায়। সেই টাকা তিনি না দেবার জন্য এবং আমাকে দেশ ছাড়া করার জন্য এই পরিকল্পনা করেছেন।
সুত্র সিলেট লাইভ ২৪

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •